মিয়ানমারে গণহত্যার প্রমাণ পেয়েছে পিআইএলপিজি

458

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংক ট্যাংক পাবলিক ইন্টারন্যাশনাল ল অ্যান্ড পলিসি গ্রুপ (পিআইএলপিজি)। সোমবার এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এতে দাবি করা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাদের যে নির্যাতনের প্রমাণ তারা পেয়েছে তা গণহত্যা ছাড়া আর কিছু নয়। একইসঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেপ্টেম্বরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেটি পিআইএলপিজি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, মিয়ানমার সেনাবাহিনী পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা, ধর্ষণ ও ভয়াবহ নৃশংসতার আয়োজন করে। পিআইএলপিজি তাদের এ প্রতিবেদন তৈরি করতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১০০০-এরও অধিক রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়েছে।
তারা জানিয়েছে, এ বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে তারা নির্যাতনের ধরন ও নৃশংসতার মাত্রা নির্ধারণের লক্ষ্যে এ গবেষণা চালায়। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, যারা রোহিঙ্গা গণহত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী পিআইএলপিজির অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রাখাইনে কোনো গণহত্যা হয়নি। বরং সেখানে তারা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে বলে দাবি করেছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের হলোকস্ট জাদুঘরও এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গা নির্যাতনকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা এ এ গণহত্যার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।