সিরিজ হারে বছর শেষ বাংলাদেশের

493
ম্যাচের শুরুতেই এভিন লুইস ঝড়ের মুখে পড়তে হয় বাংলাদেশের বোলারদের। একটা সময় মনে হতে থাকে ক্যারিবীয়দের স্কোর দু’শ ছাড়ানো শুধু সময়ের ব্যাপার। সেই ধারণাকে পাল্টাতে প্রথমে ত্রাতা হয়ে আসেন অধিনায়ক নিজেই। শাই হোপকে ফিরিয়ে দলের প্রথম উইকেট এনে দেন সাকিব। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি টাইগার বোলারদের। সাকিব, মাহমুদুল্লাহ ও মুস্তাফিজ মিলে ১৯০ রানে সফরকারীদের বেঁধে ফেলে বাংলাদেশ। তিন জনই সমান ৩ উইকেট করে আদায় করেন। মাত্র ৩৬ বলে ঝড়ো ৮৯ রান করে লুইস।দু’শর আগে বেঁধে দিলেও ১৯১ রান টি-টোয়েন্টিতে বড় লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে সূচনাটা ভালোই হচ্ছিল স্বাগতিকদের। মাত্র ১.৪ ওভারেই ২২ রান তুলে নেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। তবে লিটনের ডাকে দ্রুত তিন রান নিতে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়েন দেশ সেরা ওপেনার তামিম।westernঅপর প্রান্তে দ্বিতীয় ম্যাচের মতোই চার-ছয়ের ফুলঝুরি ছড়াতে থাকেন লিটন। মাত্র ৩.৫ ওভারেই দলীয় পঞ্চাশ রান তুলে নেয় বাংলাদেশ। যেখানে লিটনেরই সংগ্রহ ৩৪ রান। ঠিক সেই মুহূর্তে ওশানে থমাসের একটি বল নিয়ে বিপত্তি ঘটে। মাঠের অ্যাম্পিয়ার নো-বল ডাকলেও টিভি রিপ্লাইতে দেখা যায় থমাসের পা দাগের উপরেই ছিল।ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক কার্লোস ব্রেথওয়েটসহ প্রত্যেক খেলোয়াড় আবেদন জানালে নিদাহাস ট্রফির বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার সেই ম্যাচের দৃশ্যপট সামনে চলে আসে। অনেক বাগবিতণ্ডার পর অ্যাম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে ম্যাচ রেফারি। সেই নো-বোলের ফ্রি হিটে ছক্কা আদায় করে নেন সৌম্য সরকার।তবে পরের ওভারেই ফ্যাবিয়েন আল্যেনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সৌম্য। ঠিক পরের বলে একইভাবে ফিরে যান আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় সাকিব। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির মতো এদিনও ব্যর্থ মুশফিকুর রহিম। কেমো পলের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর মাহমুদুল্লাহও ১১ রানে আউট হলে লিটনের দিকেই তাকিয়ে থাকে সমর্থকরা। হতাশ করেন তিনিও। ২৫ বলে ৫২ রান করে আউট হন তিনি। পরের বলেই ফিরে যান আরিফুলও।  ক্রিজে থাকতে পারেননি সাইফুদ্দিন। এরপর মেহেদি মিরাজ (১৯) ও আবু হায়দার রনি (২২*) স্বাগতিক শিবিরে আশার সঞ্চার করে।শেষ পর্যন্ত ১৭ ওভার শেষে ১৪০ রানে অলআউট হয়ে ৫০ রানের হার মানতে হয় স্টিভ রোডেসের শিষ্যদের। সফরকারিদের হয়য়ে কেমো পল নেন ৫ উইকেট।২-১ এ সিরিজ হেরে ২০১৮ সালটা শেষ করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।