খালেদার মুক্তিতে উচ্চ পর্যায় থেকে রেসপন্স আসেনি: ওবায়দুল কাদের

135

এখানে যেমন মানবিক বিষয়টি দেখতে হবে, একইভাবে এখানে আইনগত বিষয়ও রয়েছে। আইনগত বিষয়টি সরকারের হাতে নেই। তবে তিনি যদি আদালতে জামিন পান এবং চিকিৎসকদের পরামর্শে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার মতো অবস্থা তার হয়, সেই পর্যায়ে তার অবস্থার অবনতি ঘটে সেটা পরবর্তীতে বিবেচনা করা যাবে। খালেদা জিয়ার মু‌ক্তির বিষয়ে এ মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দি‌কে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চারলেন প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স হয়ে গেছে। এই বয়সে একেবারে সুস্থ-সবল তিনি থাকবেন এমনটা নয়। তার জন্য চিকিৎসার দায়িত্বে চিকিৎসকদের একটি টিম রয়েছে, একটি বোর্ড রয়েছে। তারা মাঝে মধ্যে পরীক্ষা করে দেখে। অসুস্থতার বিষয়য়ে বিএনপি যা বলে তার সঙ্গে চিকিৎসকদের যে রিপোর্ট তার কোনো মিল নেই। বিএনপির এমপিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ে তারা বিবেচনার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে তবে বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কোনো রেসপন্স আসেনি।

মন্ত্রী ক্যাসিনো প্রসঙ্গে বলেন, এ অভিযান কোনো ব্যক্তিগোষ্ঠী বা দলের বিরুদ্ধে নয়। এটি অপরাধী ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান। দুর্বৃত্তায়নের একটি চক্র বাংলাদেশে রয়েছে, চক্রটি ভেঙে দিতে হবে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়েছেন এবং এ অভিযান শুরু করেছেন নিজ ঘর থেকে।

তি‌নি বলেন, অপরাধীরা যেখানেই থাক সেটা ঢাকা-গাজীপুর হোক অথবা দেশের যেকোনো জায়াগায় হোক, সারা বাংলাদেশের যেখানেই অপকর্মকারী, যেখানেই অপরাধী, যেখানেই দুর্বৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, টেন্ডারবাজি সেখানেই এ অভিযান চলবে।

এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও র‌্যাবকে পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) দিল্লি যাওয়ার আগেও বলে গেছেন, আমার এই শুদ্ধি অভিযান কোনো অবস্থায় শিথিল হবে না। এই অভিযান চলতেই থাকবে। দুর্বৃত্তায়নের চক্কর ভেঙে দিতে প্রধানমন্ত্রী বদ্ধপরিকর।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুদ্দিন, গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার, কালিয়াকৈর থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার, সালনা (কোনাবাড়ী) হাইওয়ে থানার ওসি মজিবুর রহমান এবং সড়ক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।