থার্টিফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে গান-বাজনার আয়োজন করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

172

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম প্রহর থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপনে ঢাকাসহ দেশের কোথাও উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান করা যাবে না। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ‘আসন্ন বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইটের আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত’ সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্ত জানাদন।

এ সময় তিনি বলেন, সুন্দরভাবে বড়দিন উদযাপন এবং থার্টিফাস্ট নাইটে যাতে উচ্ছৃখলতা না হয় সেজন্য এ সভা করা হয়েছে। থার্টিফাস্ট নাইটে আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

‘৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকাসহ দেশের কোথাও উন্মুক্ত স্থানে গান-বাজনার আয়োজন করা যাবে না। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশে সব বার বন্ধ থাকবে। এরই মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে।’

বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের কন্ট্রোল রুম থাকবে। চার্চের একজন করে ফোকাল পয়েন্টে যেকোনও পরিস্থিতিতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে সব চার্চে। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে ভুভুজেলা বাজানো, পটকা ফোটানো এবং আতশবাজি ফোটানো যাবে না। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট সুন্দরভাবে হবে। সুশৃঙ্খল অবস্থায় থাকবে এটাই আমরা আশা করি।’
আজকের সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, পুলিশ মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র্যা বের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ও খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।