কেএমপিতে এস আই সুমঙ্গল দাসের নেতৃত্বে একের পর এক সফল মাদক অভিযান

456

খুলনা  থেকে আবু হামজা বাঁধন।।

মাদকের ভয়ালগ্রাসে যখন সমগ্র খুলনা নিমজ্জিত ছিল তখন আইন শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী শক্তহাতে মাদক নিমূর্লে মাঠে নামে। শুরু হয় মাদক বিরোধী অভিযান। একের পর এক অভিযানে খুলনা শহর অনেকটা মাদকমুক্ত শহরে রুপান্তিত হয়। তথ্যমতে, খুলনা শহরে প্রবেশ করতে প্রায় ৪টি পথকে বেছে নেয় মাদক ব্যবসায়িরা। যার মধ্যে অন্যতম পথেরবাজার কেএমপি’র প্রবেশদ্বার। পথের বাজার পুলিশ চেকপোস্টে এস আই সুমঙ্গল দাসের  যোগদানের পর থেকে নিয়মিত চুলচেরা তল্লাসী শুরু হয় । তখন নিয়মিত উদ্ধার হতে থাকে মাদক,  স্বর্ণ সহ একাধিক অবৈধপন্য। যার ফল শ্রুতিতে গতকাল (১৬ ডিসেম্বর) সোমবার ৪০০পিচ ইয়াবা সহ এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয় পথের বাজার ক্যাম্প পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানাযায়, রুটিনমাফিক তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চেকপোস্ট অতিক্রম করাকালীন ক্যাম্প ইনচার্জ সুমঙ্গল দাস ও সঙ্গীয় ফোর্স  মুকুল শেখ (৪৫), পিতা-মোজাব্বার শেখ, সাং- দেয়ানা, থানা-দৌলতপুর, জেলা-খুলনাকে সন্দেহমূলকভাবে দেহ তল্লাসী করে। পরবর্তীতে তাঁর কাছ থেকে ৪০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে।  মঙ্গলবার ১৭ ডিসেম্বর ধৃত মুকুল শেখের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে  প্রেরণ করেছে খানজাহান আলী থানা পুলিশ।

এস আই সুমঙ্গল দাস জানান, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশে এবং ওসি খানজাহান আলী থানার তত্ত্বাবধায়নে আমরা নিয়মিত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অভিযান পরিচালনা করে আসছি। যার অংশ হিসেবে গতকাল আমরা ৪শ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেত সক্ষম হই।

এক পরিসংখ্যানে জানাযায়, চলতি বছরের ২৩ মে এ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এর নেতৃত্বে ১ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার হয়, ২৮ সেপ্টেম্বর ৪৫ পিচ ইয়াবা উদ্ধার, ৯ অক্টোবার ৬৮০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার, ১৫ অক্টোবার ১কেজি গাঁজা  উদ্ধার , ১২ নভেম্বর ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ১৬ নভেম্বর ৩০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার, সর্বশেষ গতকাল ১৬ ডিসেম্বর ৪০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার হয়।

পরিসংখ্যানের চিত্র অনুযায়ি মাদক উদ্ধারে কেএমপি’র এ প্রবেশ দ্বার রয়েছে শক্ত অবস্থানে। তবে খুলনার অন্যান্য প্রবেশপথে যদি পুলিশি অভিযান আরো  জোদ্দার করা হয় , তবে মাদকমুক্ত খুলনা শহর হতে আর বেশিদিন লাগবে না বলে সচেতন মহল মনে করেন।