ফকিরহাট থেকে ৪লক্ষ টাকার নারকেল বোঝাই ট্রাক নিয়ে ট্রাক চালকের চম্পট

33
বাদশা আলম, ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাট জেলার  ফকিরহাট উপজেলায়  থেকে ৪লক্ষ টাকার নারকেল নিয়ে ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ১জন ট্রাক চালক সম্পূর্ণ মালামাল গায়েব করে দিয়েছে। অসহায় নারকেল মালিক মালামাল টাকা পয়সা ও সর্বস্ব হারিয়ে বিচারের আসায় দ্বারে দ্বারে ধনার্ দিচ্ছেন। জানা গেছে, ঢাকার গাজিপুর জেলার টঙ্গি থানার দত্তপাড়া ইসলামপুর এলাকার মরহুম ইয়াছিন মুন্সির পুত্র বিশিষ্ট নারকেল ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেন, ফকিরহাট সহ বিভিন্ন এলাকা হতে ৫হাজার ৬শত পিচ নারকেল ক্রয় করে তার ছোবড়া উঠিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সিধান্ত গ্রহন করেন। সে মোতাবেক কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত মেসার্স মায়ের আচল ট্রান্সপোট এজেন্সিতে লোকমরফত আসেন। এজেন্সি মালিক সালাহ উদ্দিন ও মোঃ সোবহান হোসেন উক্ত ব্যাবসায়ী আনোয়ার এর নিকট হতে নগত ৮হাজার ৫শত টাকায় ভাড়া ঠিক করে একটি (ঢাকা-ড-১১-৪২৪৬) ট্রাক দেয়। চুক্তি মোতাবেক ব্যাবসায়ী আনোয়ার মুন্সি সকল পাওনা পরিশোধ করে গত ২৪ জানুয়ারী রাত সাড়ে ১০টায় দিকে তিনি সেলিম নামের ট্রাকের চালকের সাথে ফকিরহাট বিশ্বরোড মোড় হতে কেবিনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরের দিন ২৫জানুয়ারী ঘন কুয়াশা থাকার জন্য সকালে পাটুরিয়া ফেরীঘাট পার হয়ে সকাল সাড়ে ৭টায় তারা ট্রাক নিয়ে রওনা হয় গাজিপুরের দিকে। তারা সাভার নবীনগর এলাকায় পৌছালে চালক সেলিম তাকে বলেন ট্রাক নষ্ট হয়েছে ঠেলতে হবে। তখন তিনি ও ট্রাকের দুই হেলফার-কে সাথে নিয়ে ট্রাকটি ঠেলতে শুরু করেন। কোন কিছুতেই ট্রাক চালু না হওয়ায় চালক কথিত মালিককে ফোন করে আসতে বলেন। কথিত মালিক এসে তাকে মিস্ত্রির আনার কথা বলে কিছু দুর নিয়ে গিয়ে চম্পট দেয়। তখন তিনি ট্রাকের কাছে এসে দেখেন ট্রাকের চালক মালামাল ও ট্রাক নিয়ে সটকে পড়েছে। এঘটনা তিনি ঢাকার আশুলিয়া থানায় ১টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে ৪লক্ষ টাকার নারকেল নিয়ে ট্রাক চালক পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত মেসার্স মায়ের আচল ট্রান্সপোট এজেন্সির মালিক সালাহ উদ্দিন ও মোঃ সোবহান হোসেন-কে অবগত করালে তারাও ট্রাকটি খুজঁতে থাকলেও অদ্যবদী ট্রাক বা চালকের কোন হদিশ পায়নী। এদিকে নারকেল ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন মালামাল বহনের জন্য মানুষ ট্রান্সপোর্টে আসেন নিরাপদে মালামাল নেওয়ার জন্য। কিন্তু সেই ট্রান্সপোর্ট মালিকরা গাড়ী বা চালককে না চিনে গাড়ী কেন দিল। তার খোয়া যাওয়া সকল মালামাল ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকতার্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য লাইসেন্স বিহীন ব্যাঙ্গের ছাতার মত কাটাখালী সহ আশেপাশে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য ট্রাক ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি। হাতে গোনা কয়েকটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির লাইসেন্স ও নিয়মনীতিমালা মানলেও অধিকাংশ তার কোন তোয়াক্কা করছে না। যাহার কারণে প্রকৃত ট্রাক ট্রান্সপোর্ট ব্যাবসায়ীদের ভাবমুত্তি চরম ভাবে নষ্ট হচ্ছে।