লক ডাউন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কেএমপির পুলিশ কমিশনার 

31
মোঃ আল আমিন খান – সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। 
জাতির ক্রান্তিলগ্নে জীবন বাজি রেখে প্রতিনিয়তই ভূমিকা রেখে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। করোনা সংকটেও তার ব্যতিক্রম নয়। মৃত্যু ভয়কে জয় করে দ্বিতীয় ঢেউয়েও পুলিশের মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি সদস্যই সাহসিকতার সঙ্গে করোনা যুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঞার নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ে চালিয়ে যাচ্ছে তৎপরতা। লকডাউন কার্যকরের বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাসুদুর রহমান ভূঞা বলেন, লক ডাউনকালীন বর্তমান সময়ে খুলনা মেট্রোপলিটনের সার্বিক অবস্থা ভালো। লকডাউন কার্যকরে সরকারি-বেসরকারি যে সমস্ত অফিস সরকারের সার্কুলার মোতাবেক চালু থাকার কথা ছিলো, সেগুলোই চালু রয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আসছেন। চিকিৎসক-নার্স, বিভিন্ন হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোও খোলা রয়েছে। তবে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রয়েছে। পুলিশ রাস্তায় কাজ করছে। মহামারী করোনা ভাইরাস এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় খুলনাসহ সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশ সরকার নির্দেশিত এই কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠ পর্যায়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। খুলনা মহানগরীর প্রবেশ দ্বারসহ বিভিন্ন স্থানে সর্বমোট ২৬ টি চেকপোস্ট বসিয়ে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এবং এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গত ০৮ (আট) দিনে মাস্ক পরিধান না করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলা এবং অপ্রয়োজনে বাহিরে বের হয়ে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে কেএমপি’র বিভিন্ন থানার সহযোগিতায় ভ্রাম্যমান আদালত ও ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে আইন অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৩০৪ টি এবং ৩৩৫ জন ব্যক্তিকে ২,০৪৪৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও, লকডাউন কার্যকর করতে কেএমপি’র ১০ টি মোবাইল টিম, গোয়েন্দা পুলিশের ০২ টি টিম, থানা, ফাঁড়ি এবং ট্রাফিক পুলিশের সদস্যগণ ২৪ ঘন্টা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ হতে খুলনা মহানগরী এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মানবিকতা, ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।