মশিয়ালীতে জাহিদের হামলায় আহত ২, থানায় মামলা, আসামীরা প্রকাশ্যে

535

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি।।

গত বৃহস্পতিবার (৩জুন) রাতে পানির পাইপ সরানোকে কেন্দ্র ঘটে গেল লোহমর্ষক হামলা। একবার নয়। পর পর দুইবার হামলা হয় সাহিদুল ইসলাম মনুর পরিবারের উপর। আর এ হামলার নেতৃত্ব দেয় জাহিদ শেখ নামে এক ব্যাক্তি।  ঘটনাটি ঘটে খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী মীনা বাজার শেখ পাড়ায়। জাহিদের বর্বারোচিত হামলায় আহত হয় সাহিদুল ইসলাম মনুর স্ত্রী শ্যামলী বেগম (৩৫) ও ছেলে তামিম শেখ (১৪) । আহতরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলে আবারও নানা হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে জাহিদ শেখ ও তার পোষ্য ব্যক্তিরা। এমন তথ্য জানিয়েছেন ভুক্তভোগি সাহিদুল ইসলাম মনু। খানজাহান আলী থানায় জাহিদ শেখ সহ আরো ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলেও মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে পুলিশ আসামী ধরতে মরিয়া বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

জানা যায়, জাহিদ শেখ (৫৫), পিতা-মৃত মোতলেব শেখ, সাং-মশিয়ালী, থানা -খানজাহান আলী , জেলা-খুলনা পেশায় একজন জুট মিলের শ্রমিক। তবে মশিয়ালী গ্রামে একজন দাঙ্গাবাজ হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে আপন ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগে মামলা ছিল,  মশিয়ালী গ্রামের মৃত: আতা গাজীর ছেলে আবু বক্কর গাজী (৭০) ধারাল দা দিয়ে জখম করে, এছাড়া আপন চাচাত বোন আলেয়া বেগমকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে আহত করে । এখানেই থেমে নেই জাহিদ শেখের অপরাধের ফিরিস্তি। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের পাহাড় রয়েছে। বার বার অপরাধ করে পার পাওয়ার কারণে জাহিদ শেখের হিংস্রতা আরো বেড়ে গেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। তারা জানান, সামান্য কোন বিবাদ হলে জাহিদ শেখ ধারাল দা নিয়ে কুপিয়ে জখম করতে বের হয়ে যায়। অচীরেই এই পেশাদার কুপানো সিদ্ধহস্ত জাহিদের লাগাম টেনে না ধরলে যে কোন মুহুর্তে যে কেউ জাহিদের হাতে নিহত হতে পারে। তাই পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত জাহিদকে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।

 এদিকে মনু শেখের দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এস আই) আসাদুজ্জামান নূর বলেন, অপরাধ করে কেউ পার পায় না। আমরা অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।