কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে গুলিতে নিহত ৩, পিস্তলসহ সৌমেনকে ধরে পুলিশে

283

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে গুলিতে নিহত নারী, তার শিশু ছেলে এবং যুবকের লাশের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। রোববার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার ময়নাতদন্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে আসমা খাতুন, তার ছেলে রবিন ও স্থানীয় বিকাশের কর্মী শাকিল খান কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড়ে মার্কেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমন সময় পুলিশের এএসআই সৌমেন মিত্র এসে পিস্তল দিয়ে প্রথমে আসমাকে গুলি করেন। এরপর গুলি করেন শাকিলকে। এটা দেখে শিশু রবিন পালানোর চেষ্টা করলে তাকেও গুলি করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে হাতেনাতে পিস্তলসহ সৌমেনকে ধরে পুলিশে দেয়।

পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, কাছ থেকে তিনজনের প্রত্যেকের মাথায় দুটি করে গুলি করা হয়েছে। তবে কারো শরীরে গুলি পাওয়া যায়নি। গুলিগুলো ভেদ করে বেরিয়ে গেছে।

এদিকে, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় সেখানে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত ডিআইজি সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আটক সৌমেনের একান্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে ঘটেছে। এ ঘটনার সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তির সম্পর্ক নেই। ঘটনা যা ঘটেছে, পুলিশ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।