আফিলগেটে চুরির অভিযোগে আটক ৩, থানায় রহস্যজনক কারণে মামলা দায়ের করেনি ক্ষতিগ্রস্থ আইয়ুব

90

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি।।

খুলনার খানজাহান আলী থানার আটরা আফিলগেট বাইপাশ সড়কের পাশে আইয়ুব আলীর নির্মাণাধীন বাসভবনে দুর্ধষ চুরি সংঘঠিত হয় সোমবার দিবাগত রাতে। মঙ্গলবার (১০ আগষ্ট)  বিকালে বিষয়টি নিয়ে আয়ুব আলীর পূত্র জনি শেখ খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে, বাইপাশ খানজাহান আলী ফায়ার সার্ভিসের সামনে সবুজ নামে এক চায়ের দোকানদারের কাছে চুরিকৃত মালামাল রয়েছে। জনি শেখ পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন। এ সময় দোকানদার সবুজ চুরিকৃত স্টীলের জানলা ও দরজা একটি পুকুরে ফেলে গোপন করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে খানজাহান আলী থানা পুলিশের টহলরত একটি টীম চুরিকৃত মালামাল পুকুর থেকে উদ্ধার করে এবং পুলিশ সবুজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জাহিদ ও পুলিশের কর্থিত সোর্স রনির নাম বেরিয়ে আসে।  পুলিশ অভিযান চালিয়ে আফিলগেট থেকে মৃত গনি শেখের পূত্র রনি শেখ (৩৪) ও মহেশ্বরপাশা থেকে জাহিদ নামে আরো এক ব্যাক্তিকে আটক করে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চুরির অভিযোগে মোট ৩জনকে পুলিশ থানা হেফাজতে নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে আইয়ুব আলী শেখের পূত্র জনি জানান,  নিরাপত্তাজনিত কারণে আমরা থানায় মামলা করতে সাহস পাচ্ছি না, কারণ রনি শেখ খুবই দুর্ধষ প্রকৃতির।

খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস মুঠোফোনে জানান, চুরি হয়ে যাওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে  এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করেনি।

এলাকাবাসি জানায় রনি শেখ পুলিশের সোর্স হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন থানায়। এছাড়া চায়ের দোকানী সবুজ সাম্প্রতিক একটি মামলায় জেলহাজতে ছিল। পূর্বে সবুজের বিরুদ্ধে  বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।