এইআই কর্তৃক নবীনবরণ ও মেধা বৃত্তি ২০২১ প্রদান

3
 আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেড এর মাননীয় চেয়ারম্যান, সৎ, নিষ্ঠাবান, ধার্মিক-আদর্শবান ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও সমাজসেবক জনাব সেখ নাসির উদ্দিন (সিআইপি) মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী অন্যতম শ্রেষ্ঠ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আকিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে অত্র প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ ও ষষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থীদের বোর্ড সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় এর নিজস্ব অর্থায়নে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীদের মেধা বৃত্তি প্রদান ও ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের নতুন ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় অত্র প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ তলায় হল রুমে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সৈয়দ আরাফাত হোসেন তাজ, প্রভাষক, আকিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট-এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রথম পর্বের ছাত্র মোহাম্মদ হুজাইফা আকিব। এরপর পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের টেক্সটাইল পঞ্চম পর্বের ছাত্র প্রান্ত মন্ডল। পরবর্তীতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। আকিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট ও আকিজ আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এর সম্মানিত উপাধ্যক্ষ মহোদয় জনাব শেখ মাহমুদুন নবী মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের মধ্য মনি ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেডের শ্রদ্ধেয় নির্বাহী পরিচালক জনাব শেখ আব্দুল হাকিম ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেডের সম্মানিত ডিজিএম জনাব আবু জাফর প্রামানিক। অতিথিদের আসন গ্রহণ করার পর পরিচয় পর্ব শেষে প্রধান অতিথি মহোদয়কে ফুল দিয়ে বরণ করেন জনাব শিউলি রায়, ইন্সট্রাক্টর (ইংরেজি), বিশেষ অতিথি মহোদয়কে ফুল দিয়ে বরণ করেন ইঞ্জি: জনাব শেখ আসাদুজ্জামান, প্রশাসনিক প্রধান ও বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ এবং সভাপতি মহোদয়কে ফুল দিয়ে বরণ করেন ইঞ্জি: জনাব শাফিয়া আফরিন, ইন্সট্রাক্টর, সিভিল। এরপর অত্র ইনস্টিটিউটের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে নতুন ভর্তি হওয়া নবীনদের বরণ করে অত্র প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত সকল বিভাগের তৃতীয় পর্বের সকল শিক্ষার্থীরা। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ইঞ্জি: জনাব শেখ আসাদুজ্জামান, প্রশাসনিক প্রধান ও বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ। তিনি তার বক্তব্যে শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মিলবন্ধনের কথা তুলে ধরেন। শত ব্যস্ততা ও কষ্ট করে অনেক দূর থেকে সকল শিক্ষার্থী-অভিভাবকবৃন্দ ও অতিথিবৃন্দদের আসার জন্য সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। প্রতিষ্ঠানের পূর্বেকার এবং বর্তমান অবস্থা তুলনা করে আগামীতে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। মানপত্রটি ত্রুটিহীন ভাবে পাঠ করেন প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ইলেকট্রিক্যাল তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাইফ ইসলাম। এরপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেডের সম্মানিত ডিজিএম জনাব আবু জাফর প্রামানিক বলেন শিক্ষকদের কে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা উচিত এবং ছাত্রদের সেই ভাবে প্রস্তুত করে গড়ে তোলা উচিত যাতে তাদের ভবিষ্যতে চাকরি পেতে কোন অসুবিধা না হয়। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি মহোদয় আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেড এর নির্বাহী পরিচালক জনাব শেখ আব্দুল হাকিম বলেন এখানে অধ্যায়নরত সকল শিক্ষার্থীরা আমার সন্তান ও নাতি-নাতনির মতো। আমাদের আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেডের যে পরিমাণ জনবল দরকার তার দশভাগের একভাগ জনবলও আমরা আকিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে পাই না। সুতরাং সকল শিক্ষার্থীদের কে সঠিক ভাবে প্রস্তুত করে পড়াশোনা করাতে হবে যাতে করে তাদেরকে ভবিষ্যতে চাকরি খোঁজার জন্য বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানে যেতে না হয়। যেহেতু আমাদের আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেড এর সম্মানিত চেয়ারম্যান মহোদয় এর সুদক্ষ ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীল ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের আরো প্রায় ৩২ টি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান থাকার কারণে চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের বাইরে কোথাও চাকরি করার দরকার হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি তার বক্তব্যে মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিন ও আমাদের বর্তমান মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব সেখ নাসির উদ্দিন স্যারসহ স্যারের পরিবারের সকলের মঙ্গল, সুস্থতা, সুখ-শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি ও সভাপতি মহোদয় মেধাবৃত্তি-২০২১-এর ফলাফল ঘোষণা করেন এবং ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার, মেকানিক্যাল, টেক্সটাইল ও সিভিল বিভাগের ৩৮ জন ছাত্রছাত্রীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ফলাফলের ভিত্তিতে মেধা বৃত্তির চেক প্রদান করেন। যাদের মধ্যে কম্পিউটার বিভাগের চতুর্থ পর্বের ১। ইয়াসমিন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৮৬) ২। মাসুরা আক্তার (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫৭)। মেকানিক্যাল বিভাগের চতুর্থ পর্বের ৩। রাজু বিশ্বাস (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৮২)। ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের চতুর্থ পর্বের ৪। মোঃ রায়হান (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৩৬), টেক্সটাইল বিভাগের চতুর্থ পর্বের ৫। আয়েশা খাতুন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫২), ৬। আল-আমিন হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.১১) ৭। প্রান্ত মন্ডল (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৩০) এবং ৮। নিলয় রায় (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫৫), সিভিল বিভাগের ষষ্ঠ পর্বের ৯। মনিশান্ত বিশ্বাস (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৬৩), ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ষষ্ঠ পর্বের ১০। মোহাম্মদ আবু জুবায়ের (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪৩) ১১। আকরাম হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৬৪) ১২। মোঃ সাকিব হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৩৪) ১৩। ওসমান গনি ( প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৩৭) ১৪। মোহাম্মদ নাঈম হাসান (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫৭) ১৫। এ আর সৈয়দ ইবনে মাহমুদ সিদ্দিক (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৬১) ১৬। মোঃ নাদিম খান (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪৩), মেকানিক্যাল বিভাগের ৬ষ্ট পর্বের ১৭। জুবায়ের হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪৭) ১৮। গাজী আশিকুজ্জামান (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৮২) ১৯। মোহাম্মদ রাকিব মিয়া (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫০) ২০। হাসান মাহমুদ (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫৫) ২১। রাসেল আহমেদ (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৬১), টেক্সটাইল বিভাগের ৬ষ্ঠ পর্বের ২২। শামীমা আক্তার পিংকি (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৯২) ২৩। মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪২), ২৪। সৈয়দ মেহেদী হাসান (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪০) ২৫। মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪৫) ২৬। অর্পা সরকার (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.২৪) ২৭। মিস খাদিজা আক্তার (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.২৮) ২৮। মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.১৮) ২৯। সোহাগ মল্লিক (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪৯) ৩০। মোহাম্মদ মারুফ হোসেন মোড়ল (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৭৭) ৩১। মোছাম্মদ রিমা খাতুন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৭৬) ৩২। মোহাম্মদ আরিফ ইশতিয়াক আকাশ (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৪১) ৩৩। জয় মল্লিক (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৬১)
৩৪। কিবরিয়া হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ: ৩.৫৩) ৩৫। কবির হোসেন (প্রাপ্ত জিপিএ ৩.৩৫) ৩৬। সাদমান তামজিদ (প্রাপ্ত জিপিএ ৩.৩৬) ৩৭। রুপা গোলদার (প্রাপ্ত জিপিএ ৩.১১) ৩৮। মোঃ রাকিব শেখ (প্রাপ্ত জিপিএ ৩.৫১) এবং মেধা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মানিত পিতামাতাদের মধ্য থেকে সেরা অভিভাবক সম্মাননা ২০২১ প্রদান করেন উপাধ্যক্ষ মহোদয় ও সকল বিভাগীয় প্রধান। যাদের মধ্যে সেরা অভিভাবক সম্মাননা গ্রহণ করেন মেকানিক্যাল চতুর্থ পর্বের ছাত্র রাজু বিশ্বাসের পিতা এবং কম্পিউটার চতুর্থ পর্বের ছাত্রী ইয়াসমিন এর গর্ভধারিনী মাতা, টেক্সটাইল চতুর্থ পর্বের নিলয় রায় এর পিতা জনাব নারায়ন রায় ইলেক্ট্রিক্যাল চতুর্থ পর্বের মোঃ রায়হান এর পিতা, সিভিল ষষ্ঠ পর্বের ছাত্র মনীশান্ত বিশ্বাস এর পিতা, ইলেকট্রিক্যাল ষষ্ঠ পর্বের ছাত্র আকরাম হোসেনের পিতা, মেকানিক্যাল ষষ্ঠ পর্বের ছাত্র গাজী আশিকুজ্জামানের পিতা, টেক্সটাইলস ষষ্ঠ পর্বের ছত্রী শামিমা আক্তার পিংকির পিতা। এরপর উপস্থিত সম্মানিত অভিভাবক বৃন্দের মধ্য থেকে মেকানিক্যাল তৃতীয় পর্বের ছাত্র তন্ময় এর পিতা জনাব আব্দুল আজিজ ও কম্পিউটার তৃতীয় পর্বের ছাত্রী সুমাইয়ার পিতা জনাব মোহাম্মদ আফজাল হোসেন তরফদার, টেক্সটাইল তৃতীয় ও ৬ষ্ট পর্বের ছাত্র তন্ময় ও সাজ্জাদ এর পিতা জনাব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং কম্পিউটার তৃতীয় পর্বের ছাত্র নাজমুস সাকিব এর মাতা মিস সালমা বেগম ও মেকানিক্যাল সপ্তম পর্বের ছাত্র রাকিবের মাতা জনাব লাকি বেগম প্রতিষ্ঠানকে উদ্দেশ্য করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ এবং তাদের মতামত প্রকাশ করেন এবং শিক্ষকদের কাছে দাবি জানান শিক্ষার্থীরা যেন মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল ব্যবহার না করে। এ দুটি জিনিস ব্যবহার ও পাওয়ার আশায় তারা তাদের জীবনকে শেষ করে দিচ্ছে। শিক্ষকরা তাদের প্রতি এ ব্যাপারে যেন কঠোর ও কড়া নজরদারির মধ্যে রাখেন। পরিশেষে সভাপতি মহোদয় জনাব শেখ মাহমুদুন নবী, সুযোগ্য উপাধ্যক্ষ এইআই এবং এআইএসসি সকল ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী ও অভিভাবকবৃন্দের দাবির সপক্ষে বিশেষ দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণে অত্র প্রতিষ্ঠান প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সেটা প্রকাশ করেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পরই পিতা-মাতাকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভক্তি করতে হবে। এজন্যে তিনি কোরআনের আয়াত দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন এবং বলেন মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। এবং সবশেষে তিনি বলেন শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল ব্যবহার ক্ষেত্রে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে এবং এ ব্যাপারে আমরা অবশ্যই পদক্ষেপ গ্রহণ করব। পিতা-মাতার কথা অমান্য না করা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন হযরত বায়েজিদ বোস্তামীর গল্প। পরবর্তীতে সভাপতি মহোদয় সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।