খুলনায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস : রেইনট্রি হোটেলের আলোচিত ধর্ষণ মামলার ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে

13

স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার বনানীর রেইনট্রি হোটেলে আলোচিত ধর্ষণ মামলার রায়ে সকল আসামিকে খালাস এবং ধর্ষণের ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পরে মামলা না নিতে পুলিশকে নির্দেশনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট আদালতের তৎকালীন বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবুও এ ধরণের রায়ের নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করা এবং মামলাটি পুণঃতদন্ত পূর্বক বিচারের মাধ্যমে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে খুলনায় আয়োজিত মানববন্ধন ও র‌্যালিতে অংশ নিয়ে বক্তারা এ দাবি উত্থাপন করেন। দেশের শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এবং ‘মায়ের ডাক’ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ফুল মার্কেট থেকে র‌্যালি বের হয়ে জাতিসংঘ পার্কের সামনে গিয়ে মানববন্ধন করা হয়।
এ কর্মসূচিতে বক্তারা দেশের সকল নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, সব ঘটনারই ন্যায় বিচার করতে হবে। যাতে দোষিরা আইনের কথিত ফাঁক-ফোঁকড় দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। এ ক্ষেত্রে কোন বিচারে যেন কেউ অযাচিত হস্তক্ষেপ না করে দিকেও নজর রাখতে হবে। একই সঙ্গে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, সীমান্ত হত্যা এবং আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতনসহ সকল রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও পরিচালনা করেন অধিকার খুলনার ফোকাল পার্সন সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান। বক্তৃতা করেন- শিক্ষাবিদ ও নারী নেত্রী রেহেনা আখতার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য বিশিষ্ট সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন, নিরাপদ সড়ক চাই- নিসচার খুলনা জেলা সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী মুনির চৌধরী সোহেল, নাগরিক নেতা শেখ আব্দুল হালিম, ছায়াবৃক্ষের প্রধান নির্বাহী মাহবুব আলম বাদশা, জেলা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি শেখ ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য গৌতম দে হারু, কাকন প্রিন্টের ব্যবস্থাপক নাসির উদ্দিন, মুন্নি জামান, শারমিন আক্তার, লাইলা পারভীন, সাহানা পারভীন শিল্পী, অধিকারের ডিফেন্ডার সাংবাদিক এম এ আজিম, মো. শওকত হোসেন ও মো. তামিম হাসান প্রমুখ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অধিকারের ডিফেন্ডার সাংবাদিক জিয়াউস সাদাত।